যোগ্যতাঃ কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১। পাসপোর্ট
২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
৩। ভারতের যেকোনো ভিসা
৪। এর ছাড়া শতভাগ ভিসা নিশ্চিত করার জন্য বাকি কাগজপত্র আমরা ম্যানেজ করব।
২৪ লাখ টাকায় যে সকল সার্ভিস অন্তর্ভুক্ত:
১। পর্তুগালের D1 ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাজ
২। এম্বাসির সকল খরচ
৩। বিমান টিকেট
৪। BMET ক্লিয়ারেন্স
খরচের বিবরণ:
১। মোট খরচ:
→২৪ লাখ টাকা (বিমান টিকিট ও এম্বাসির সব খরচসহ)।
এটি তিন ধাপে পরিশোধ করতে হবে :
২। খরচের মধ্যে যা অন্তর্ভুক্ত নয়:
৩। ভিসা না হলে ফেরতের নীতিমালা :
→ যদি কোনো কারণে ভিসা না হয় (যদিও শতভাগ ভিসার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে ), শতভাগ ফেরতযোগ্য
কিছু প্রচলিত প্রশ্নের উত্তর (FAQ)
১। ভিসা করতে কতদিন সময় লাগে ?
→আমরা সাধারণত ৪ থেকে ৮ মাসের সময় ধরি , তবে এটি পুরোপুরি আপনার ফাইল আমাদের অফিসে জমা দেওয়ার সময়ের উপর নির্ভর করে ।
নোট: এম্বাসিতে ফাইল জমা দেওয়ার পরে সাধারণত ২০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
২। অন্যান্য দেশের মতো দিল্লি গিয়ে মাসের পর মাস এম্বাসি অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে কি ?
→না , একদমই না ! এখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখের মাত্র ২ দিন আগে দিল্লি যেতে হবে । ফাইল জমা দিয়ে সেদিনই ফিরে আসা সম্ভব।
৩। দিল্লিতে কি নিজে ফাইল জমা দিতে হবে ?
→জি হ্যাঁ , নিজেই জমা দিতে হবে । তবে চিন্তার কিছু নেই — আমাদের গাইড সবসময় পাশে থাকবে । প্রতিটি গ্রুপে সাধারণত ১৫–২০০ জন
আবেদনকারী একসাথে ভিসা জমা দেন, তাই প্রক্রিয়াটি সহজ এবং নিরাপদ।
৪। কি ধরনের কাজের কন্ট্রাক্ট থাকবে ?
→ ভিসা/TRP প্রক্রিয়ার জন্য আপনার কন্ট্রাক্ট এগ্রিকালচার বা কন্সট্রাকশন ক্ষেত্রের হবে ।
৫। পর্তুগালে পৌঁছানোর পর TRP কার্ড ও অন্যান্য কাজ কে করে দেবে ?
→সবগুলো কাজ আমরাই সম্পূর্ণভাবে করে দিই, যেমনঃ
সতর্কবার্তা
সকল খরচ জেনে-বুঝে তারপরই ফাইল জমা দিন।
আবেগে বা তাড়াহুড়াতে কেউ ফাইল জমা দিবেন না।
শুধুমাত্র যাদের সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ আছে, তারাই ফাইল জমা দেবেন।
Copyright 2026, GRC Services Ltd. All rights reserved.